Posts

ক্যালসিয়াম (Calcium) সমৃদ্ধ খাবা‌রের তা‌লিকা

 ‌জে‌নে নিন  কোন খাবা‌রে কত প‌রিমান ক্যালসিয়াম (Calcium) র‌য়ে‌ছে। ক্যালসিয়াম (Calcium) শরীরের হাড় ও দাঁত মজবুত করতে, পেশীর কাজ, রক্ত জমাট বাঁধা ও স্নায়ুর কার্যক্রমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য গড়   ১০০০–১২০০ মি.গ্রা. ক্যালসিয়াম প্রয়োজন। নিচে কিছু সাধারণ খাবার দেওয়া হলো যেগুলোতে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে, সাথে আনুমানিক শতকরা হার (প্রতিদিনের চাহিদা বা DV – Daily Value ভিত্তিক, যেখানে ১০০% DV = ১২০০ মি.গ্রা.): 🥛 দুগ্ধজাত খাবার দুধ (১ কাপ, ২৪৫ গ্রাম) → প্রায় ৩০০ মি.গ্রা. (২৫% DV) দই (১ কাপ, ২৪৫ গ্রাম) → প্রায় ৩০০–৩৫০ মি.গ্রা. (২৫–৩০% DV) চিজ (৩০ গ্রাম চেডার) → প্রায় ২০০ মি.গ্রা. (১৫–২০% DV) 🐟 সামুদ্রিক খাবার সার্ডিন মাছ (কাঁটা সহ, ১০০ গ্রাম) → প্রায় ৩৮০ মি.গ্রা. (৩২% DV) স্যালমন (কাঁটাসহ ক্যানড, ১০০ গ্রাম) → প্রায় ২৩০ মি.গ্রা. (১৯% DV) 🌱 শাকসবজি ও ডাল কেল শাক (১০০ গ্রাম সেদ্ধ) → প্রায় ১৫০ মি.গ্রা. (১২% DV) পালং শাক (১০০ গ্রাম সেদ্ধ) → প্রায় ৯৯ মি.গ্রা. (৮% DV) সয়াবিন/টোফু (১০০ গ্রাম, ক্যালসিয়াম সেট টোফু) → প্...

অ‌ন্ত্রের য‌ত্নে মনের যত্ন ( Gut Health & mood )

Image
 অন্ত্রের যত্ন মানেই মনের যত্ন। জানুন কীভাবে আঁশযুক্ত খাবার ও ফারমেন্টেড ফুড আপনার মুড ভালো রাখতে সাহায্য করে। Gut-Brain Connection ও স্বাস্থ্য টিপস পড়ুন Health by GK ব্লগে। আমরা প্রায়ই মনে করি মনের অবস্থা শুধু মস্তিষ্কের উপর নির্ভর করে। কিন্তু জানেন কি, আমাদের অন্ত্রের স্বাস্থ্যও সরাসরি প্রভাব ফেলে আমাদের মুড, চিন্তা ও মনোযোগে? এটিকে বলা হয় Gut-Brain Axis বা অন্ত্র-মস্তিষ্ক সংযোগ। আমাদের অন্ত্রে থাকা কোটি কোটি ভালো ব্যাকটেরিয়া এমন সব রাসায়নিক তৈরি করে যা আমাদের মস্তিষ্কে সেরোটোনিন ও ডোপামিন বাড়ায়—যা সুখ, শান্তি ও মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ? আঁশযুক্ত খাবার (ডাল, শাকসবজি, ফল) আমাদের শান্ত ও মনোযোগী করে। ফারমেন্টেড খাবার (দই, আচার, কিমচি) খেলে মানসিক ইতিবাচকতা বাড়ে। অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড শুধু পেট খারাপই করে না, এটি উদ্বেগ ও ক্লান্তিও বাড়ায়। ৭ দিনের একটি ছোট চ্যালেঞ্জ দিন ১–২: প্রতিদিন একবার ফারমেন্টেড খাবার খান। দিন ৩–৪: একটি জাঙ্ক স্ন্যাক বাদ দিয়ে ফল বা বাদাম খান। দিন ৫–৬: প্রতিদিন অন্তত ২ লিটার পানি পান করুন। দিন ৭: নিজের মুড, এনার্জি ও মনো...

ব্যথার ওষুধ ( Painkiller ) কখন খাবো, কখন খাবো না? জানুন সঠিক নিয়ম ও পরামর্শ

Image
 ব্যথার ওষুধ কখন খাবেন আর কখন খাবেন না, তার সঠিক নিয়ম জানুন। প্যারাসিটামল ও NSAIDs-এর ব্যবহার, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, সতর্কতা এবং ব্যথা কমানোর বিকল্প উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। স্বাস্থ্য সচেতন হতে পড়ুন এখনই। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ছোটখাটো ব্যথা-বেদনা খুবই সাধারণ ঘটনা। মাথা ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, জ্বরের সঙ্গে শরীর ব্যথা কিংবা অস্থি-সন্ধির ব্যথা—এসব অবস্থায় অনেকে সরাসরি ফার্মেসিতে গিয়ে পেইনকিলার (Painkiller) বা ব্যথার ওষুধ খেয়ে থাকেন। তবে ব্যথার ওষুধ কখন খাবো, কখন খাবো না—তা জানা অত্যন্ত জরুরি। কারণ, এসব ওষুধের অযথা ও অতিরিক্ত ব্যবহার শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ব্যথার ওষুধের ধরন সাধারণত প্রচলিত ব্যথার ওষুধ দুই ধরনের হয়: Paracetamol (প্যারাসিটামল): জ্বর ও হালকা ব্যথায় নিরাপদে ব্যবহারযোগ্য। NSAIDs (Non-Steroidal Anti-Inflammatory Drugs): যেমন আইবুপ্রোফেন, ন্যাপ্রক্সেন, ডাইক্লোফেনাক ইত্যাদি। এগুলো ব্যথা ও প্রদাহ কমায়, তবে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তুলনামূলক বেশি। ব্যথার ওষুধ কখন খাবেন? ✔ হালকা থেকে মাঝারি ব্যথায় (যেমন মাথাব্যথা, দাঁতের ব্যথা, পেশি টান, সামান্য জ্বরের ব্যথা) প্যারাসি...

নিউমোনিয়া (Lower Respiratory Infections): কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ

Image
  নিউমোনিয়া (Pneumonia) হলো শ্বাসযন্ত্রের গুরুতর সংক্রমণ। জেনে নিন এর কারণ, লক্ষণ, জটিলতা, চিকিৎসা ও প্রতিরোধের উপায়। শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিশেষ পরামর্শসহ। ভূমিকা নিউমোনিয়া (Pneumonia) বা Lower Respiratory Infection হলো ফুসফুসের এক ধরনের মারাত্মক সংক্রমণ, যেখানে প্রধানত ফুসফুসের এয়ার স্যাক বা অ্যালভিওলাইতে (Alveoli) প্রদাহ সৃষ্টি হয় এবং সেখানে তরল বা পুঁজ জমে শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যাহত হয়। এটি শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ—সব বয়সের মানুষের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের জন্য নিউমোনিয়া জীবনহানিকরও হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্যমতে, নিউমোনিয়া বিশ্বব্যাপী শিশু মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এবং প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়। নিচে নিউমোনিয়ার কারণ, লক্ষণ, জটিলতা, চিকিৎসা, প্রতিরোধ এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। নিউমোনিয়ার কারণ (Causes of Pneumonia) নিউমোনিয়া বিভিন্ন ধরনের জীবাণু দ্বারা হতে পারে, যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ইত্যাদি। ১. ব্যাকটেরিয়াল নিউমোনিয়া সবচেয়ে সাধারণ এবং বিপজ্জনক। Streptococ...

ক্যানসার (Cancer): কারণ, লক্ষণ, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা

Image
"ক্যানসার সম্পর্কিত কারণ, লক্ষণ, প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও রোগীর মানসিক সহায়তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য। স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য অপরিহার্য একটি গাইড।" ভূমিকা ক্যানসার (Cancer) হলো এমন একটি গুরুতর ও জটিল রোগ, যেখানে শরীরের কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে ও নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বিভাজন শুরু করে। এই অস্বাভাবিক কোষগুলো টিউমার (Tumor) তৈরি করে এবং শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা মেটাস্ট্যাসিস (Metastasis) নামে পরিচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্যমতে, প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ১ কোটি মানুষ ক্যানসারে মারা যায়। ক্যানসার এখন হৃদরোগের পর মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। ক্যানসারের প্রকৃতি ও কীভাবে হয় মানবদেহে প্রতিদিন কোটি কোটি কোষ বিভাজিত হয় এবং পুরনো কোষের জায়গায় নতুন কোষ আসে। কিন্তু যখন DNA তে ত্রুটি (Mutation) ঘটে, তখন কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠে এবং মৃত্যু এড়িয়ে যায়। এগুলো একত্রিত হয়ে টিউমার গঠন করে। টিউমার দুই ধরনের হতে পারে— Benign Tumor (ক্ষতিকারক নয়, ছড়ায় না) Malignant Tumor (ক্ষতিকারক, শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে) ক্যানসারের প্রধান কারণ ক্যানসারের উৎপত্তি ...

Chronic Obstructive Pulmonary Disease (COPD): কারণ, উপসর্গ, চিকিৎসা ও প্রতিকার

Image
Chronic Obstructive Pulmonary Disease (COPD) কী, কেন হয়, উপসর্গ, পর্যায়, চিকিৎসা, ও করণীয় – জানুন বিস্তারিত। শ্বাসকষ্ট থেকে মুক্তি ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক এক লেখা। ভূমিকা:  Chronic Obstructive Pulmonary Disease (COPD) বা দীর্ঘস্থায়ী অবস্ট্রাকটিভ ফুসফুসের রোগ হলো একটি গুরুতর এবং প্রগতিশীল শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত অসুস্থতা, যা প্রধানত শ্বাসনালীর সংকোচন ও ফুসফুসের কার্যকারিতা হ্রাসের মাধ্যমে দেহে পর্যাপ্ত অক্সিজেন প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে। এটি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং সাধারণত ধূমপানকারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে অন্যান্য কারণেও এটি হতে পারে। COPD কী? COPD হলো একাধিক শ্বাসতন্ত্রের রোগের সমন্বিত রূপ, যার মধ্যে প্রধান দুটি হলো: 1 . ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস – ফুসফুসের শ্বাসনালীতে দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ, যা কাশি ও কফের সৃষ্টি করে। 2. এমফাইসেমা – ফুসফুসের বায়ুথলিগুলো ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, ফলে অক্সিজেন গ্রহণে বাধা সৃষ্টি হয়। এই রোগটি সাধারণত দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে এবং সময়ের সাথে সাথে আরও খারাপ হতে থাকে। COPD-এর কারণসমূহ: ধূমপান : ৮০–৯০% ক্ষেত্রে ধূমপানই প্রধান কারণ। সক্রিয় ও প্যাসিভ (পরোক্ষ) ধূমপান উ...

The Top Ten Deadliest Diseases in the World

Image
 As of the latest global health statistics (based on WHO and Global Burden of Disease reports up to 2024), the top ten deadliest diseases in the world—ranked by annual death toll—are listed below. These figures represent approximate global deaths per year: 🩺 Top 10 Diseases by Death Rate Worldwide Rank Disease Approx. Annual Deaths Key Causes/Notes 1 Ischemic Heart Disease (Heart attack) ~9.4 million Caused by narrowed heart arteries; linked to poor diet, smoking, and inactivity 2 Stroke ~6.5 million Interrupted blood flow to the brain; high blood pressure is a major factor 3 Chronic Obstructive Pulmonary Disease (COPD) ~3.3 million Lung damage due to smoking, air pollution 4 Lower Respiratory Infections ~2.6 million Includes pneumonia, bronchitis; deadly for infants and elderly 5 Neonatal Conditions ~1.9 million Birth complications, prematurity, neonatal sepsis 6 Trachea, Bronchus, and Lung Cancers ~1.8 million Mostly caused by smoking an...

অগ্নিদগ্ধ রোগির চিকিৎসা, সেবাযত্ন ও পথ্য: একটি পূর্ণাঙ্গ গাইড

Image
 🔥অগ্নিদগ্ধ রোগীর সঠিক চিকিৎসা, সেবাযত্ন এবং পথ্য সম্পর্কে জানুন। প্রথমিক সহায়তা থেকে উন্নত মেডিকেল কেয়ার পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ গাইড। অগ্নিদগ্ধ বা দাহজনিত আঘাত (Burn Injury) মানুষের শরীরের একটি গুরুতর অবস্থা যা তাৎক্ষণিক চিকিৎসা, পর্যাপ্ত সেবাযত্ন ও সঠিক খাদ্যপথ্যের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে প্রাণঘাতীও হতে পারে। Health by GK - এই ব্লগে আমরা অগ্নিদগ্ধ রোগীর পরিচর্যা, চিকিৎসা পদ্ধতি, ঘরোয়া ও আধুনিক সেবাযত্ন এবং উপযুক্ত পথ্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। 🔥 অগ্নিদগ্ধের শ্রেণিবিন্যাস (Types of Burns) অগ্নিদগ্ধ বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত, যা রোগীর চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে: 1. প্রথম শ্রেণির দগ্ধ                                   (First-degree burn): শুধুমাত্র চামড়ার উপরের স্তরে (epidermis) প্রভাব ফেলে। লালচে, ব্যথাযুক্ত এবং কিছুটা ফোলা থাকে। সাধারণত ৫-৭ দিনের মধ্যে সেরে যায়। 2. দ্বিতীয় শ্রেণির দগ্ধ                      ...

প্রতি ছয় মাসে একটি ইনজেকশনেই নিয়ন্ত্রণে হাই ব্লাড প্রেসার! – নতুন গবেষণার দাবি

Image
একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ছয় মাসে একটি ইনজেকশন উচ্চ রক্তচাপ কমাতে পারে। এই বিপ্লবী চিকিৎসা পদ্ধতি কীভাবে কাজ করে জেনে নিন। উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন এক নীরব ঘাতক, যা দীর্ঘদিন ধরে শরীরে ক্ষতি করতে থাকে কোনো লক্ষণ ছাড়াই। কিন্তু সাম্প্রতিক একটি বৈপ্লবিক গবেষণা বলছে, এখন মাত্র একটি ইনজেকশনেই ছয় মাস পর্যন্ত রক্তচাপ কম রাখা সম্ভব! গবেষণার সারসংক্ষেপ ২০২৪ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, জাইলেবেসিরান (zilebesiran) নামক একটি নতুন ইনজেকশন রক্তে angiotensinogen নামক হরমোনের মাত্রা কমিয়ে দেয়, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের রক্তচাপ ইনজেকশনের পর ছয় মাস পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়। এই ইনজেকশন সিস্টলিক ও ডায়াস্টলিক ব্লাড প্রেসার দুইই কমাতে সক্ষম হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রেই এটি দৈনিক খাওয়া ওষুধের চেয়েও বেশি কার্যকর দেখা গেছে। কেন এই ইনজেকশন গুরুত্বপূর্ণ? অনেক রোগীই প্রতিদিন ওষুধ খাওয়া ভুলে যান বা নিয়ম মেনে চলতে পারেন না। এই ইনজেকশন – দৈনিক ওষুধ খাওয়ার ঝামেলা কমাবে নিয়মিত রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখবে হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং কিডনি রো...

A Six-Month Injection Could Control Hypertension: A New Hope for Millions

Image
  A new study reveals that a six-monthly injection can significantly reduce high blood pressure. Learn how this breakthrough treatment could transform hypertension care . High blood pressure, or hypertension, is often called the "silent killer" because it can exist for years without symptoms while quietly damaging the body. Now, a groundbreaking study has introduced a promising new approach: a single injection every six months that can significantly reduce blood pressure levels. This development could be life-changing for millions of people around the world who struggle to manage their hypertension through daily medications. The Study at a Glance According to recent clinical research published in 2024, scientists have developed a long-acting injectable drug that targets the hormone angiotensinogen, which plays a crucial role in regulating blood pressure. The injection, known as zilebesiran, was found to consistently lower blood pressure for up to six months in patients with m...

Stroke: Causes, Symptoms, Prevention & Treatment

Image
  Learn everything about stroke: causes, symptoms, risk factors, prevention tips, and treatments. Stay informed and protect your brain health with Health by GK. Introduction A stroke, often referred to as a "brain attack," is a medical emergency that occurs when the blood supply to part of the brain is interrupted or reduced, preventing brain tissue from getting the oxygen and nutrients it needs. Within minutes, brain cells begin to die, which can lead to permanent damage, disability, or even death. According to the World Health Organization (WHO), stroke is the second leading cause of death globally and a major cause of serious long-term disability. The good news is that up to 80% of strokes can be prevented through lifestyle changes and proper medical care. In this post, we’ll explore the major causes, warning signs, risk factors, preventive strategies, and modern treatment options for stroke. Types of Stroke There are primarily three types of stroke: 1. Ischemic Stroke: Ca...

স্ট্রোক: কারণ, উপসর্গ, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা

Image
স্ট্রোক কী, এর কারণ, উপসর্গ, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা সম্পর্কিত বাংলা ব্লগ পোস্ট। সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন – Health by GK এর সাথে থাকুন। ভূমিকা স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে আঘাত হলো এমন একটি জরুরি চিকিৎসাজনিত অবস্থা, যা তখন ঘটে যখন মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যায় বা কোনো রক্তনালী ফেটে যায়। এতে মস্তিষ্কের কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছায় না, ফলে কোষগুলো মারা যেতে শুরু করে। স্ট্রোক দ্রুত চিকিৎসা না পেলে প্রাণঘাতী হতে পারে অথবা স্থায়ী পঙ্গুত্ব ডেকে আনতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ হচ্ছে স্ট্রোক। তবে আশার কথা হলো, ৮০% স্ট্রোক প্রতিরোধযোগ্য। স্ট্রোকের প্রকারভেদ স্ট্রোক সাধারণত তিন ধরনের হয়ে থাকে: 1. ইসকেমিক স্ট্রোক : এটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় (প্রায় ৮৭% ক্ষেত্রে)। মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহকারী ধমনী ব্লক হয়ে গেলে হয়। 2. হেমোরেজিক স্ট্রোক : মস্তিষ্কের রক্তনালী ফেটে গিয়ে রক্তক্ষরণ হলে হয়। 3. ট্রানজিয়েন্ট ইসকেমিক অ্যাটাক (TIA): এটি ক্ষণস্থায়ী স্ট্রোক বা “মিনি স্ট্রোক” নামে পরিচিত, যা কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হয় এবং বড় স্ট্রোকের পূর্বাভাস দেয়...

হার্ট অ্যাটাক: কারণ, উপসর্গ, প্রতিকার ও প্রতিরোধ

Image
 🫀"Heart Attack: লক্ষণ, কারণ ও প্রতিরোধে করণীয় | হার্ট অ্যাটাক নিয়ে পূর্ণ গাইড – Health by GK" হার্ট অ্যাটাক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (Myocardial Infarction) একটি প্রাণঘাতী অবস্থা, যা তখন ঘটে যখন হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এটি বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ, প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। যদিও চিকিৎসাবিজ্ঞানে অনেক উন্নতি হয়েছে, কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত চাপ ও সচেতনতার অভাবে হার্ট অ্যাটাক আজও একটি মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি। এই প্রবন্ধে আপনি জানতে পারবেন হার্ট অ্যাটাকের কারণ, উপসর্গ, জরুরি চিকিৎসা, প্রতিরোধমূলক পরামর্শ এবং পুনরুদ্ধারের টিপস—যা আপনার হৃদয় সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। 🔍 হার্ট অ্যাটাক কী? হার্ট অ্যাটাক ঘটে যখন হৃদপিণ্ডে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, সাধারণত করনারি ধমনীতে (coronary artery) ব্লকেজের কারণে। এই ব্লকেজ তৈরি হয় যখন ধমনীর মধ্যে চর্বিজাত পদার্থ (প্লাক) জমে গিয়ে তা ফেটে যায় এবং রক্ত জমাট বাঁধে। তখন হৃদপিণ্ডের পেশি অক্সিজেনের অভাবে মারা যেতে শুরু করে। রক্ত চলাচল যত দেরিতে প...

🫀 Heart Attack: Causes, Symptoms, Prevention, and Treatment

Image
Learn everything about heart attacks — causes, symptoms, emergency treatment, prevention tips, and recovery advice. Stay informed and protect your heart health. A heart attack, medically known as myocardial infarction, is a life-threatening condition that occurs when the blood flow to a part of the heart is blocked. It is one of the leading causes of death worldwide, claiming millions of lives every year. Despite advancements in medical science, heart attacks remain a serious concern due to unhealthy lifestyles, poor diets, stress, and lack of awareness. In this article, we’ll explore the causes, warning signs, preventive measures, and treatment options for heart attacks—so you can protect your heart and live a healthier life. 🔍 What is a Heart Attack? A heart attack happens when the supply of oxygen-rich blood to the heart muscle is cut off due to the blockage of one or more coronary arteries. This blockage is usually caused by a buildup of fatty deposits (plaque), which can rupture...

কালোজিরা: প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্থ জীবনের সহায়ক

Image
কালোজিরার পুষ্টিগুণ, ওষধিগুণ ও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারিতা জানুন। ব্লগে পড়ুন কালোজিরার ব্যবহারের নিয়ম ও স্বাস্থ্যসুরক্ষায় ভূমিকা।" কা‌লো‌জিরা (Black Seed) কি? কালোজিরা ( Nigella sativa ) একটি প্রাচীন ঔষধি উদ্ভিদ, যার বীজ সাধারণত কালো ও ছোট আকারের হয়। হাজার বছর ধরে এটি আয়ুর্বেদিক, ইউনানি এবং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে আসছে। ইসলামী ঐতিহ্য অনুযায়ী, হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন: “কালোজিরা মৃত্যু ছাড়া সব রোগের জন্য উপকারী” – (সহীহ বুখারী)। এই উক্তিই কালোজিরার গুরুত্বকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। --- কালোজিরার পুষ্টিগুণ কালোজিরার বীজে রয়েছে বহু মূল্যবান পুষ্টি উপাদান, যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। প্রতি ১০০ গ্রাম কালোজিরা বীজে যা পাওয়া যায়: প্রোটিন: ১৭-২১% চর্বি (Essential Oils): ৩৫-৩৮% কার্বোহাইড্রেট: ৩৫-৪০% ডায়েটারি ফাইবার: ৭-১০% খনিজ পদার্থ: ক্যালসিয়াম, লোহা, ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক ভিটামিন: B1, B2, B3, C অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: থাইমোকুইনোন ( Thymoquinone ) এই উপাদানগুলো কালোজিরাকে শুধু খাবার নয়, একে শক্তিশালী একটি ওষুধ হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছে। --- ওষধিগুণ কালোজিরার সবচেয়ে গুর...